post

কোন মাংস খাবেন ??

Author: Jolpie | Posted: 8 months before | Food & Recipes
Tags:  পরিপাক তন্ত্র সমস্যা সুষম খাবার

মুরগির মাংস আমাদের সবার খুব প্রিয়। নানা ভাবে আমরা খেয়ে থাকি মুরগির মাংস। রোস্ট, গ্রিল, ফ্রাই অথবা বিভিন্ন রকম মশলা দিয়ে দিয়ে রান্না করা হয় সুস্বাদু খাবার। ইদানীং আমাদের দেশের তরুণ এবং শিশুদের খাবার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে মুরগী দিয়ে বানানো খাবার।


মুরগির মাংস

মুরগী আমাদের প্রাণীজ আমিষের অন্যতম উৎস। মুরগির মাংস আমাদের প্রতিদিনের আমিষের চাহিদার ৭০ শতাংশ পূরণ পূরণ করে। মাত্র ৪ আউন্স মুরগির মাংস খেলে দৈনিক চাহিদার সবটুকু পাওয়া সম্ভব। প্রাণীজ আমিষে চর্বি একটু বেশি থাকে। তাই গরু বা খাসির মাংসের পরিবর্তে মুরগির মাংস খাওয়া যেতে পারে। কারণ এতে সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ অন্য মাংসের তুলনায় কম। আর সবচেয়ে কম চর্বি থাকে বুকের মাংসে। চামড়াসহ মাংস না খাওয়া ভালো এতে চর্বির পরিমাণ দ্বিগুণ থাকে।বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাড়ের যে ক্ষয় কমাতে সাহায্য করে। আমিষ-জনিত পুষ্টিহীনতা থেকেও রক্ষা করে।


মুরগির মাংসের বি ভিটামিন, নিয়াসিন ও সেলেনিয়াম ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

মাংস খেলে আমাদের শরীরের এনার্জি মেটাবোলিজম সহজে হয়।

ভিটামিন বি-৬ ও নিয়াসিন খাদ্যের শর্করা, আমিষ ও চর্বি ভেঙে শক্তিতে পরিণত করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া নিয়াসিন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে।

এনার্জি মেটাবোলিজম ছাড়াও ভিটামিন বি-৬ হার্টের সুস্থতার জন্য দরকারি। শরীরে ভিটামিন বি-৬-এর অভাব হলে হোমসিস্টিন নামক এক ধরনের উপাদানের পরিমাণ বেড়ে যায়। রক্তনালিকার দেয়ালকে ক্ষয় করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।


গরু মাংস

গরু মাংসে সব কয়টি অ্যামাইনো এসিড থাকে, তাই প্রোটিনের পুষ্টি মূল্যও বেশি। লৌহ ও ফসফরাস বেশি পরিমাণে থাকে। চর্বির জন্য ক্যালরিও থাকে বেশি। গরু, মহিষর মাংসের প্রোকোন মাংস খাবেন। টিন উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের চেয়ে উন্নতমানের।

মাংসের চর্বি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বাইরের দিকে থাকে। এ চর্বি শুধু পদার্থের অভাব পূরণ করে না। এতে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’। এছাড়া কলিজা বা যকৃতে আছে লৌহ। মাঝে মধ্যে কলিজা খেলে বাড়ন্ত শিশু-কিশোর ও মেয়েদের রক্তস্বল্পতা দূর হয়। কলিজায় আরো আছে রিবোফ্লাবিন, ফলিক এসিড, ভিটামিন বি১২ এবং ফসফরাস।


গরু মাংসের চর্বি সম্পৃক্ত অবস্থায় থাকে। এ কারণে উচ্চ কোলেস্টেরলসম্পন্ন ব্যক্তিদের খাবার থেকে মাংসের চর্বি বর্জন করা প্রয়োজন। গরুর মগজের মধ্যে ১০০ ভাগ কোলেস্টেরল থাকে।কিডনির অসুখ, উচ্চ রক্তচাপ, হূদরোগের ক্ষেত্রে মাংস যত কম খাওয়া যায়, তত মঙ্গল। এছাড়া লিভার, গলব্লাডার ও প্যানক্রিয়াসের অসুখ থাকলে মাংস বাদ দিন। 


তাই গরুর মাংস থেকে মুরগির মাংস খাওয়াই ভাল


Related Article:

ফিট থাকতে যা করি এবং যা করাটাই যথেষ...

ব্যায়াম, ডায়েটিং এবং ঘুমের সুষ্ঠু সমন্বয় করেও নিজেকে ফিট মনে হচ্ছে না? আসলে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে খুব বেশি কিছু করতে হয় না। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন আসলে আমাদের কি করা উচিত এবং আমরা কি করি। সেই সঙ্গে জানি...

পেটের মেদ কমাতে চান?

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কী পান করেন? দুধ অথবা পানি, তাই তো? অনেকেই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ পান করে থাকেন। কেননা গরম দুধ আপনার স্বাস্থ্যের জন্য যেমন উপকারী তেমনি এটি দ্রুত ঘুম আনাতে সাহায্য...

পেপটিক আলসার : ডাঃ ফাইয আহমেদ খন্দক...

কমলবাবুর পেটে আজকাল খুব ব্যাথা। মধ্যবয়সে এসেই তার এ নাজেহাল দশা। ব্যথাটা আসলে পেপটিক আলসার এর। খাওয়া দাওয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে এমনটাই হয়। এখন আবার মনে মনে ভাবছেন পেপটিক আলসারটা আবার কি ? চলুন দেখা...

আসিডিটি কমানোর উপায় : ডাঃ ফাইয আহমে...

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভুগতে হয় এ সমস্যায়। গ্যাস্ট্রিক এর বাথ্যা হয় নাই এমন লোক পাওয়া যাবেনা। তবে এটা কোন রোগ নয় । এটা সাধারণত কি...

চিকন হওয়ার টিপস খুঁজে পাই কিন্তু ম...

বেশি মোটা শরীর যেমন কারও কাম্য নয়, তেমনি পাতলা কিংবা চিকন শরীর নিয়েও অনেকে ভালই সমস্যাতে আছে। যদিও বিষয়টি অনেকটা হরমোন জনিত সমস্যা। কেউ কেউ আছে, যারা অনেক খেলেও মোট হয়না আবার কেউ কেউ আসে, দিনে মাত্র এ...

Comments:

Featured Post

post

ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুল ঘন করার পদ্ধতি

আমাদের মিথিলা আপু। চুল একদম পাতলা,মাথা খালি হয়ে গেছে। যদিও এখনও কিছুটা চুল আছে। সে এটা নিয়ে খুব টেনশন এ আছে। কিভাবে চুল পড়া বন্ধ করবে। এর কাছে, ওর কাছে জিজ্ঞেস করে, কিভাবে চুল পড়া বন্ধ করবে। তখনই সে স...
post

সারাদিন কর্মক্ষম থাকার উপায়

আমার কিছু বন্ধু-বান্ধবী আছে যাদের একটাই কথা, ‘সারাদিন ঘুমায় ঘুমায় কাটে’। যদি জিজ্ঞাসা করি কেন, তাহলে তাদের একটাই উত্তর কোন কাজ নেই অথবা কোন কাজ করতে ভালো লাগে না। আরে ভাই ভালো লাগবে কেমনে...
post

গর্ভাবস্থায় কতটুকু ওজন বাড়া স্বাভাবিক? : ডাঃ...

এই সময়ে একজন মায়ের সাধারণত ১০-১২ কেজি পর্যন্ত ওজন বৃদ্ধি পাওয়া স্বাভাবিক। তবে এটা গর্ভের আগের ওজনের ওপর নির্ভর করে। যাদের ইগও ১৯-এর কম সেসব মায়েরা ১৭ কেজি পর্যন্ত বাড়াতে পারেন তবে ইগও ২৫-এর বেশি হলে ৭...