লো-প্রেসার হলে করনীয়

Image

Jolpie Admin

Admin

View full Profile
13 Feb 2018

উচ্চরক্তচাপের মতোই নিম্ন রক্তচাপ অর্থাৎ লো ব্লাড প্রেসার শরীরের জন্য ক্ষতিকারক। লো ব্লাড প্রেসারের আরেক নাম হাইপোটেনশন। আজকে আমরা জানবো কিভাবে প্রেসার-লো হলে কি করবেন। তার আগে জানা যাক লো-প্রেসার এর কারন কী।


কারণ
দীর্ঘদিন জটিল রোগে ভোগা এবং কিছু কিছু ওষুধের ব্যবহার। মারাত্মক রক্তশূন্যতা এবং ক্রিমি, যক্ষ্মা, মৃদুজ্বর,পেটের অসুখ বা অরুচির জন্যও এ রোগে দেখা যায় পুষ্টির অভাব, চর্বি, প্রোটিন ও ভিটামিনযুক্ত খাদ্যের অভাব। দীর্ঘদিন বিষণ্নতা বা মানসিক রোগে ভোগা। দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস রোগে ভোগা। অতিরিক্ত নিদ্রা হরণ বা রাত্রি জাগরণ। বেশি শারীরিক পরিশ্রম ও বিশ্রামহীন জীবনযাপন।

লক্ষণ
শরীর দুর্বল ও মাথা ঘোরা থাকে এবং ঘুম কম হয়। 

রোগী অস্থির বোধ করে। মাথা ব্যথা করে, স্মরণশক্তি লোপ পায় এবং চেহারা ফ্যাকাশে দেখায়। 

কোনো কাজে মন বসে না এবং একটু খাটা-খাটুনিতে হাঁপিয়ে পড়ে এবং নাড়ির গতি দ্রুত হয়। 

হজমশক্তি, ক্ষুধাহীনতা এবং প্রায়ই জ্বর ও সর্দি-কাশি লেগে থাকে। 

অনেকক্ষণ কাজ করা বা বসা থেকে হঠাত্ উঠে দাঁড়ালে চোখে অন্ধকার দেখে, চোখ-মুখ উল্টিয়ে ফেলে। 


প্রেসার লো হলে বাড়িতেই প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। চলুন দেখা যাক, তা কিভাবে। 


লবণ পানিঃ লবণে রয়েছে সোডিয়াম যা রক্তচাপ বাড়ায়। তবে পানিতে বেশি লবণ না দেওয়াই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয়, এক গ্লাস পানিতে দুই চা চামচ চিনি ও এক-দুই চা চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে। তবে যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে চিনি বর্জন করতে হবে।


কফিঃ স্ট্রং কফি, হট চকলেট, কোলাসহ যেকোনো ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ায়। হঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ কফি খেতে পারেন। যারা অনেকদিন ধরে এ সমস্যায় ভুগছেন তারা সকালে ভারী নাশতার পর এক কাপ স্ট্রং কফি খেতে পারেন। তবে সবসময় লো প্রেসার হলে কোলা না খাওয়াই ভালো। কারণ এর অন্যান্য ক্ষতিকারক দিকও রয়েছে।


কিসমিসঃ 
হাইপোটেনশনের ওষুধ হিসেবে অতি প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে কিছমিস। এক-দুই কাপ কিছমিছ সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালিপেটে সেগুলো খান। সঙ্গে কিছমিছ ভেজানো পানিও খেয়ে নিন। এছাড়াও পাঁচটি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চীনাবাদাম খেতে পারেন।


পুদিনাঃ 
ভিটামিন সি, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে। পুদিনা পাতা বেঁটে তাতে মধু মিশিয়ে পান করুন।


যষ্টিমধুঃ যষ্টিমধু আদিকাল থেকেই নানা রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দিয়ে পান করুন। এছাড়াও দুধে মধু দিয়ে খেলে উপকার পাবেন।


বিটের রসঃ বিটের রস হাই প্রসার ও লো প্রেসার উভয়ের জন্যই সমান উপকারী। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। হাইপোটেনশনের রোগীরা দিনে দুই কাপ বিটের রস খেতে পারেন। এভাবে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।


আশা করি আপনারা এই লেখাটির মাধ্যমে একটু হলেও লো-প্রেসার সম্পর্কে ধারনা পেয়েছেন। আপনাদের সুস্থতাই আমাদের কাম্য।

0 145

Popular Article

Googling your symptoms online?
The Internet is not a doctor and neighter are you. Chat with a real doctor about health
  • Private 1 on 1 chat with a doctor
  • Get a response in 10 min
  • Starts at 100 TK
Chat with a Doctor
Buy Health Package
Consult with a doctor more to make you feel better.
  • Private 1 on 1 chat with a doctor
  • Save time & money
  • 100% care guaranteed
Buy Package
Doctor-icon
Get health tips in your inbox