কিডনি নষ্ট হওয়ার কারণ জেনে নিন ।।

Image

Jolpie Admin

Admin

View full Profile
13 Feb 2018

বেচে থাকার জন্যে মানুষের জন্যে যে অঙ্গটা সুস্থ সজীব থাকা প্রয়োজন তা হলো কিডনি। কিন্তু সজিবের আজ একটা কিডনিই নষ্ট। জিবনের নাথে সংগ্রাম করে বেঁচে আছে সজিব।

সজিব এর মত এমনটা না চাইলে এখন থেকে নিজের কিডনির ব্যাপারে সচেতন হোন। চলুন দেখা যাক, কিভাবে যত্ন নিবেন আপনার কিডনির। তার আগে জেনে নিতে হবে কিডনি কেন নষ্ট হয়।


কিভাবে কিডনির যত্ন নিবেন ?


সুস্থ মানবদেহে দুটো করে কিডনি থাকে। একটি নষ্ট হলে আরেকটি দিয়েও কাজ হয়। কিন্তু নষ্ট হওয়ার আগেই যদি যেনে রাখা যায় কি কি অনিয়মের কারনে কিডনি নষ্ট হয়,  এবং কিভাবে কিডনির যত্ন নেওয়া যায়, তাহলে তা  সুস্থ থাকার সম্ভাবনা অনেকটা বাড়িয়ে দেয়।


পানি ঠিকভাবে বা পরিমান মতো পান না করলে শুধু কিডনিই নয় দেহের অন্য অঙ্গও নষ্ট হতে পারে। যেমন যকৃতের ওপর চাপ পড়তে পারে। তাই প্রতিদিন পরিমান বা তার বেশি পরিমান পান করলে কিডনির উপর চাপ কম পড়ে।


লবন আমাদের শরীরের জন্যে প্রয়োজনীয়। কিন্তু কাচা লবন খাওয়ার পরিমান যদি বেশি হয় তাহলে সেটা কিডনির জন্যে ক্ষতিকর। তরকারীরর সাথে বেশি করে লবন দিয়ে নিলে আর এ সমস্যা হবে না।


অনেককেই দেখেছি রোগকে পুষে রাখতে। তাদের মতামত হলো আল্লাহ রোগ দিছে তা আল্লাই ভালো করবে। এমনটা ভেবে যদি শরীরের সংক্রমন অনুযায়ী চিকিৎসা না নেন তাহলে কিডনিতো জাবেই সাথে অন্য অঙ্গ যাবারও সম্ভাবনা আছে।


অনেক সময় মাংস বদ হজমের কারন হয়। তাই বেশি বেশি মাংস খাওয়া কিডনি নষ্ট হওয়ার একটা অন্যতম কারন।


ক্ষুধাকে আগলে রাখবেন না। এটাও কিডনি নষ্ট হওয়ার একটা কারন। তাই যখনই ক্ষুধা লাগেবে তখনই খেয়ে নিবেন।


অনিয়মিতভাবে বা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ খাবেন না। এটা কিডনি নষ্ট হওয়ার বড় কারন।


কিডনির যত্ন নিতে হলে আপনাকে নিয়মিত বিশ্রাম নিতে হবে। তার জন্যে ঘুমই অন্যতম। তবে হ্যাঁ, ঘুম যেন ৭ থেকে ৮ ঘন্টার বেশি না হয়।


বিয়ার অনেকের পছন্দ, কিন্তু, এটিও এক ধরনের ওয়াইন বা মদ। বেশি বিয়ার পান করা আমাদের কিডনির জন্য ক্ষতিকর। তাই, যারা বিয়ার পান করেন, তাদের উচিত যতদূর সম্ভব কম বিয়ার খাওয়া অথবা ছেড়ে দেওয়া।


কিডনি রোগীর কম শাক-সবজি ও ফল খাওয়া উচিত। সাধারণভাবে শাক-সবজি ও ফল যত বেশি খাওয়া যায়, ততই আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কিন্তু, যারা কিডনির রোগে আক্রান্ত, তাদের উচিত খাওয়ার ব্যাপারে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করা। শাক-সবজি ও ফলের মধ্যে প্রচুর পটাশিয়াস থাকে। অসুস্থ বা দুর্বল কিডনির জন্য এই পটাশিয়াম ক্ষতিকর। তাই, কিডনি রোগীদের উচিত শাক-সবজি ও ফল কম খাওয়া। এক্ষেত্রে চিকিত্সকের পরামর্শ মেনে চলা উচিত।


আপনি কি কোমল পানীয়, এই যেমন ধরুন, কোকা কোলা, পেপসি ইত্যাদি খেতে পছন্দ করেন? হ্যাঁ, অনেকেই কিন্তু দেখা যায়,  সারাদিন এ ধরনের কোমল পানীয়ের ওপরই নির্ভর করে। তারা পানি কম খান বা একেবারেই খান না। সমস্যা হচ্ছে,  কোনো কোনো কোমল পানীয়তে ক্যাফেইন থাকে, যা আমাদের রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে, উচ্চরক্তচাপ কিডনির জন্য ক্ষতিকর।


জ্ঞান মানুষের জীবনে কখনও ক্ষতির কারণ হয়না। বরং উপকার বয়ে আনে। নিজের প্রতি নিজের যত্নের বিষয়টাও জেনে রাখলে এবং সেই মতে নিয়মগুলো মেনে চললে সুস্থ থাকা যায়। তাই আমাদের সবার উচিত আমাদের স্বাস্থ্যের উপর যত্ন নেওয়া আর বেশি বেশি স্বাস্থ্য বিষয়ক আর্টিকেল পড়া।

0 83

Popular Article

Googling your symptoms online?
The Internet is not a doctor and neighter are you. Chat with a real doctor about health
  • Private 1 on 1 chat with a doctor
  • Get a response in 10 min
  • Starts at 100 TK
Chat with a Doctor
Buy Health Package
Consult with a doctor more to make you feel better.
  • Private 1 on 1 chat with a doctor
  • Save time & money
  • 100% care guaranteed
Buy Package
Doctor-icon
Get health tips in your inbox