কি খাবেন ক্যান্সার আতঙ্ক

Image

Jolpie Admin

Admin

View full Profile
13 Feb 2018

চারিদিকে ভেজাল খাদ্যের ভিড়ে সবাই আখন আতঙ্কিত কান্সার-আতঙ্কে। ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় এমন কেমিক্যাল হরহামেশাই মিশিয়ে যাচ্ছেন একদল ব্যবসায়ি। কি খাবেন, কি খাবেন না তাই ভাবছেন?


পছন্দের খাবার বা খাদ্যাভ্যাসই মৃত্যুঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নিয়মিত খাওয়া হয় এমন কিছু খাবার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এ তথ্যটি আমরা অনেকে জানি না বলেই ততটা সচেতন নই এ ব্যাপারে। আমাদের অনেকেরই কিছু প্রিয় খাবার আছে যা দীর্ঘদিন ধরে খেতে থাকলে সেগুলো ক্যানসার সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে।


যেসব খাবারে এক্রিলেমাইড থাকে, যেমন- আলুর চিপস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই। আর যখন স্টার্চ জাতীয় খাবারকে তাপ দেয়া হয় তখন এক্রিলেমাইড গঠিত হয়।

আচার জাতীয় খাবার ডাইজেস্টিভ ট্র্যাক্ট ক্যান্সারের জন্য দায়ী।

স্মোকড খাবার ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। কারণ এই জাতীয় খাবার তৈরির সময় খাবারের উপরিতলে পলিসাইক্লিক অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন (পিএএইচ)নামক ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান তৈরী হয় যা পাকস্থলীতে টিউমার সৃষ্টি করে


গ্রিলড বা চারকোলড মাংস ক্যান্সার এর কারণ হতে পারে। মাংসের প্রোটিন ও ফ্যাট উচ্চ তাপের সংর্স্পশে আসলে হিটারোসাইক্লিক এমাইনেস উৎপন্ন করে যা এ রোগের জন্য দায়ী। তাই দেখা যায় বার-বি-কিউ বেশী পরিমানে দীর্ঘ দিন খেলে কোলন ক্যান্সার হয়


সাদা বা পলিস করা যেকোনো কিছুই অস্বাস্থ্যকর।যেমন- সাদা আটা, সাদা চাল,সাদা পাস্তা। এছাড়া বেকারী দ্রব্যও ক্ষতিকর, কারণ এগুলো সাদা আটা বা ময়দা দিয়ে তৈরী হয়।প্রক্রিয়াজাত এসব খাবার থেকে খুব বেশী মাত্রায় চিনি রক্তে তাড়াতাড়ি আসে, এছাড়া এ থেকে স্যাটুরেটেড ফ্যাটও পাওয়া যায়। এগুলো ট্রিগার হিসেবে কাজ করে। স্যাটুরেটেড ফ্যাট ও ট্রান্স ফ্যাট স্তন ক্যান্সারের জন্য বিশেষভাবে দায়ী।


যেসব খাবার ও পানীয়তে কৃত্রিম স্বাদ যেমন এসপারটেম ব্যবহার করা হয়, অতিরিক্ত কোমল পানীয় বা সোডা, প্রক্রিয়াজাত মাংস যেমন- বেকন,সসেজ ইত্যাদি বেশী খেলে ফুসফুস, মলাশয়, লিভার ও এসোফাগাস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।


যেসব খাবারে প্রিজারভেটিভস হিসেবে বিএইচটি, বিএইচএ ব্যবহার করা হয় তা প্রাণিদেহে ক্যান্সার তৈরী করতে পারে।

অর্গানিক নয় এমন খাবার খাওয়া থেকে সতর্ক হওয়া বাঞ্ছনীয়। ফলমূল, শাকসবজি শরীরের জন্য অত্যাবশকীয় খাবার। শুধু আঁশ নয়, ফলমূল ও শাকসবজিতে রয়েছে অসংখ্য অত্যাবশকীয় উপাদান ও উপকরণ, যার অভাবে শরীর সুষ্ঠুভাবে কার্যসম্পাদন করতে পারে না। এসব উপাদানের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ পদার্থ, পলিফেনল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। কিন্তু আজকাল শাকসবজি ও ফলমূল উৎপাদনে রাসায়নিক সার ও বিষাক্ত কীটনাশক ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এসব রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের কারণে খাবার শুধু খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়ে না, ক্যান্সারের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।


স্ট্রবেরি, আঙুর, কমলালেবু, আপেলে বেশি কীটনাশক ব্যবহৃত হয়। তাই এসব ফলমূল ও শাকসবজি খাবার আগে বারবার খুব ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে


লাল মাংস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। গরু, ছাগল, ভেড়া, শূকর ও অন্যান্য পশুর লাল মাংস সুষম খাবারের উৎস; যা শাক-সবজি ও ফলমূলে পাওয়া যায় না। অতিমাত্রায় লাল মাংস খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত নয়- এ কথাটি পুরনো হলেও লাল মাংস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়, এ কথাটি সম্প্রতি জানা গেছে।


ভেবে চিন্তে খাদ্য গ্রহন করুন সুস্থ থাকুন।

0 93

Popular Article

Googling your symptoms online?
The Internet is not a doctor and neighter are you. Chat with a real doctor about health
  • Private 1 on 1 chat with a doctor
  • Get a response in 10 min
  • Starts at 100 TK
Chat with a Doctor
Buy Health Package
Consult with a doctor more to make you feel better.
  • Private 1 on 1 chat with a doctor
  • Save time & money
  • 100% care guaranteed
Buy Package
Doctor-icon
Get health tips in your inbox